সংগ্রামীদের কথা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
অনেক হয়েছে, এবার সবার থামা উচিৎ। আর কত? জাতির জনক, জাতির ঘোষক আর বাঙালী না বাংলাদেশী_এ নিয়ে চিল্লাবে? নির্বোধ শিশুটিও আমাদের মূর্খতা দেখে হাসছে এবং বলছে, আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। শিশুটি জাতীয় সঙ্গীত ভালোবাসে আর ওই সঙ্গীতের মাঝে তাঁর দেশ ও দেশপ্রেমকে খূঁজে পায়।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী: উপমহাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা
‘আমার একমাত্র ভরসা হল গণতন্ত্র আর গণতান্ত্রিক দল। অর্থাৎ আমার দেশের দরিদ্র জনগণ, তাঁরাই আমার একমাত্র ভরসা। কারণ তাঁদের কল্যাণই আমার লক্ষ্য। এই শাসন ব্যাবস্থার দুর্বলতা সম্পর্কে আমি সচেতন। গণতন্ত্র মানুষেরই সৃষ্টি, এরও অনেক দূতি আছে। কিন্তু মোটের উপর গণতন্ত্রই হচ্ছে প্রগতি ও বিবর্তনের একমাত্র নিশ্চিত পথ।-------কোনো ব্যক্তির খেয়ালের উপর নয় বরং জনগণের ইচ্ছাই সরকারী নীতির ভিত্তি হবে।------গণতন্ত্রকে স্বতঃসিদ্ধরূপে গ্রহণ করতে হবে। নির্ভুল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্র কখনো ব্যর্থ হতে পারে না’_হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধাঃ তাজউদ্দিন আহমেদ
‘আমাদের যুদ্ধ আমাদেরই করতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা আমাদেরই অর্জন করতে হবে। যুদ্ধক্ষেত্রেই বাংলাদেশ প্রশ্নের সমাধান নিহিত’_তাজউদ্দিন আহমেদ।তাজউদ্দীন আহমদের জন্ম হয় ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই। ঢাকার অদূরে কাপাসিয়ার দরদিয়া গ্রামের এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে। বাবা মৌলবী ইয়াসিন খান, মা মেহেরুন্নেসা খানম।
অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম কাণ্ডারী
‘আজ এই আম্রকাননে একটি নতুন জাতি জন্ম নিল। বিগত বহু বছর যাবত বাংলার মানুষ, তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি-ঐতিহ্য-অধিকার নিয়ে এগুতে চেয়েছেন। কিন্তু পাকিস্তানী কায়েমী স্বার্থ কখনই তা হতে দিল না। ওরা আমাদের ওপর আক্রমন চালিয়েছে। আমরা নিয়মতান্ত্রিক পথে এগুতে চেয়েছিলাম, ওরা তা দিল না। ওরা আমাদের উপর বর্বর আক্রমন চালাল। তাই আজ আমরা লড়াইয়ে নেমেছি। এ লড়াইয়ে আমাদের জয় অনিবার্য। আমরা পাকিস্তানী হানাদারদেরকে বিতাড়িত করবোই। আজ না জিতি কাল জিতিবো। কাল না জিতি পরশু জিতবোই। আমরা বিশ্বের সব রাষ্ট্রের সাথে শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান চাই। পরস্পরের ভাই হিসেবে বসবাস করতে চাই। মানবতার, গণতন্ত্রের এবং স্বাধীনতার জয় চাই।
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কাণ্ডারী
৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ষড়যন্ত্রকারীরা জাতিকে মেধাশূণ্য ও পুরোপুরি পঙ্গু করার জন্যই জেলহত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। ঘাতকদের ইচ্ছা ছিল ১৫ আগস্ট রাতেই বঙ্গবন্ধু চার সহকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এ এইচ এম কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে হত্যা করতে চেয়েছিল। সেদিন সময় স্বল্পতা এবং এই চার নেতার বাসস্থান বিভিন্ন স্থানে হওয়ার কারণে ঘাতকরা সিদ্বান্ত পালটায়।
এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামানঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম কাণ্ডারী
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ষড়যন্ত্রকারীরা জাতিকে মেধাশূণ্য ও পুরোপুরি পঙ্গু করার জন্যই জেলহত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। ঘাতকদের ইচ্ছা ছিল ১৫ আগস্ট রাতেই বঙ্গবন্ধুর চার সহকর্মী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এ এইচ এম কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে হত্যা করতে চেয়েছিল। সেদিন সময় স্বল্পতা এবং এই চার নেতার বাসস্থান বিভিন্ন স্থানে হওয়ার কারণে ঘাতকরা সিদ্বান্ত পালটায়। ১৫ আগষ্টের পর চার জাতীয় নেতাকে গ্রেফতার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটকে রাখে। ৩ নভেম্বর এই অবিসংবাদিত চার নেতাকে জেলের মধ্যে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী : বাংলাদেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বিচারপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরীর। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্ববিবেক জাগ্রতকারী বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর অবদান বাঙালি জাতি কোনোদিন বিস্মৃত হতে পারবে না।
জহির রায়হান: বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি
“সে জানতো যে দেশকে ভালবাসা এবং তাকে মুক্ত করার প্রচেষ্টা তার জন্মগত এবং আদর্শগত অধিকার। তাই আমরা জহিরকে দেখেছি এক বহুমুখী ভূমিকায়। এ বেলা সে পাক- মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছে, ওবেলা দেখতাম সাংস্কৃতিক দলের অনুশীলনে স্ক্রিপ্ট পুর্নবিন্যাস করছে। যখন কিছু কিছু লোককে দেখেছি নিজেদের ফিল্মের প্রিন্ট বিক্রি করে আর্থিক সাচ্ছল্য বাগাতে সচেষ্ট, ঠিক তখনি দেখেছি জহিরকে তার ‘জীবন থেকে নেয়া’র ভারতে বিক্রয়লব্ধ সমুদয় অর্থ বাংলাদেশ সরকারকে দান করতে, স্বীয় অর্থকষ্ট থাকা সত্ত্বেও।
More Articles...
Page 1 of 6
আরও পড়ুন
-
সত্যেন সেন : মেহনতি মানুষের এক পরম সুহৃদ_গোলাম মোহাম্মদ ইদু ২৮ মার্চ, সত্যেন সেনের জন্মশতবার্ষিকী। প্রয়াত সত্যেন সেন ১৯০৭ সালের ২৮ মার্চ...
-
সংগ্রামী জীবনশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: এম এ আজিজ মিয়া বাংলা সাহিত্যে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-১৯৫৬) এক বিস্ময়কর প্রতিভা, অনন্য...
-
কমরেড সরোজ দত্ত: বাসু আচার্য্য ১৩২১ বঙ্গাব্দের ২১’শে ফাল্গুন সরোজ দত্ত জন্মগ্রহণ করেন অবিভক্ত বাঙলার...
-
পূর্ণেন্দু দস্তিদার: অগ্নিযুগের বিপ্লবী পূর্ণেন্দু দস্তিদার। অগ্নিযুগের বিপ্লবী। সশস্ত্র বিপ্লবী। কিংবদন্তি বিপ্লবী...
-
কমরেড রতন সেনের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি: এস.এ রশীদ আজীবন সংগ্রামী, সর্বস্ব ত্যাগী, গরিব মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু কমরেড...
- 1
- 2
- 3
- 4
- 5
- 6
- 7
- 8
হিট পরিসংখ্যান






![]() | আজকের ভিজিটর সংখ্যা | 73 |
![]() | গতকালের ভিজিটর সংখ্যা | 272 |
![]() | এই সপ্তাহের ভিজিটর সংখ্যা | 73 |
![]() | গত সপ্তাহের ভিজিটর সংখ্যা | 1302 |
![]() | এই মাসের ভিজিটর সংখ্যা | 866 |
![]() | গত মাসের ভিজিটর সংখ্যা | 4654 |
![]() | সর্বমোট ভিজিটর | 29443 |
Your IP: 38.107.191.102
,
Today: Sep 05, 2010






