রণেশ দাশগুপ্ত: অমিত রঞ্জন দে
জন্ম: রণেশ দাশগুপ্তের জন্ম ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই জানুয়ারি আসামের ডিব্রুগড়ে। সেকালের আর দশটা মেয়ের মতোই মা ইন্দুপ্রভা (সেন) দাশগুপ্ত প্রসব-পূর্বে চলে গিয়েছিলেন আসামের ডিব্রুগড়ে-তাঁর পিত্রালয়ে। সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন রণেশ
বিপ্লবী মৃত্যুঞ্জয় বন্দোপাধ্যায়ঃ রাজেকুজ্জামান রতন
মানুষের জন্ম নিয়ে গর্ব বা লজ্জা করার কিছু নেই। জীবন কিভাবে এবং কি উদ্দেশ্যে যাপন করলো এটাই মানুষের সাথে মানুষের পার্থক্য রচনা করে দেয়। নিজের জন্য ভাবতে পারে তো সবাই কিন্তু সবার জন্য ভাবতে পারে কয়জন? যারা ভাবেন এবং বেশীরভাগ দুঃখী মানুষের দুঃখমোচনের জন্য নিজে দুঃখবরণ করেন তাদের জীবন এবং কর্ম যদি
বিপ্লবী বাদল গুপ্ত;প্রতিকূল সময়ে প্রেরণার উৎসধারাঃ অভিনু কিবরিয়া ইসলাম
ফকির বিদ্রোহ, সন্যাস বিদ্রোহ, সাঁওতাল বিদ্রোহ, ১৮৫৭ সালের প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীকালে ভারতজুড়ে স্বরাজের জন্য নানামাত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম, অনুশীলন, যুগান্তরের মত সশস্ত্র গ্রুপসমূহের বিপ্লবী প্রয়াস বাংলাকে পরিণত করেছিল অগ্নিগর্ভে। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতবর্ষের
মুক্তির সংগ্রামে যাঁরা শহীদ কেন ভুলে আছি তাঁদের : কামাল লোহানী
এদেশে, যদি ভারতবর্ষ উপমহাদেশটাকে ধরি, তবে যে বাংলার আমরা আগত বাসিন্দা ছিলাম, সেদিন তাকে বলা হলো রক্ত স্বাক্ষরের সিমন্তিনী বাংলা। শক্, হু্ন, মোগল, পাঠান কেনা এই ভারতকে দখল করে শাসন নিগড়ে বাঁধেনি। তেমনি মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এসেছিল ইংরেজ। প্রথমে বণিক হয়ে ব্যবসার লোভ মেটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে ঢুকেছিল বটে,
শহীদ কম্পরাম সিং : সত্যেন সেন
   দিনাজপুর জেলার লাহিড়ীহাটে মে দিবসের উৎসব। স্বাধীনতা লাভের বছর খানেক আগেকার কথা। দিনাজপুর শহর থেকে লাহিড়ীহাটে যেতে হলে ঠাকুরগাঁ হয়ে যেতে হয়। ঠাকুরগাঁর পরের ষ্টেশন আখানগর। আখানগর থেকে লাহিড়ীহাট পর্যন্ত বরাবর একটা কাঁচা রাস্তা চলে গিয়েছে। মাইল সাতেকের পথ। লাহিড়ীহাট নামকরা হাট। বহু দূর থেকে লোকেরা
বিপ্লবী কৃষক নেতা হাতেম আলী খানঃ শেখ রফিক
হাতেম আলী খানের পূর্বপুরুষদের বসবাস ছিল সিরাজগঞ্জের তেবাড়িয়ায়। ১৮৫৩ সালে তাঁর দাদা ঝোমর আলী খান সিরাজগঞ্জের তেবাড়িয়া ছেড়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বেলুয়া গ্রামে বসবাস শুরু করেন। নিজের বুদ্ধিমত্তা ও কঠোর পরিশ্রমের ফলে পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যে ঝোমর আলী খান প্রায় একশ একর জমির মালিক হন এবং বেলুয়া
বিপ্লবী জসিমউদ্দীন মণ্ডল
জসিমউদ্দীন মণ্ডলের দাদাবাড়ি ছিলো নদীয়া জেলার হৃদয়পুর গ্রামে। ছেলেবেলায় সেই গ্রামে গরু চরাতে গিয়ে ঘুরতে ঘুরতে বহুদিন নীলকুঠির ভাঙাচোরা দালানের কাছাকাছি যেতেন। সেখানে কোনো গাছের ছায়ায় বসে গ্রামের বয়স্ক লোকদের কাছ থেকে কুঠিয়াল ইংরেজদের অত্যাচারের কাহিনী শুনতেন। নীল জিনিসটা কি, সেটা তিনি তখনো বুঝতেন
এম. এন. রায়: শেখ রফিক ও উদিতা
পাখিরা যেমন বিস্তৃত সীমাহীন আকাশে পাখা মেলে স্বাধীনভাবে উড়ে বেড়ায়। ঠিক তেমনি স্বাধীনভাবে মানুষও পাখির মতই বাঁচবে। সেখানে থাকবে না কোনো শোষণ, বৈষম্য অন্যায়-অবিচার, থাকবে না কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা। সব মানুষের একটি দেশ থাকবে, যার নাম হবে “সাম্য- ভালবাসার পৃথিবী। এমন একটি মতাদর্শ যে মানুষটি সারা
বিপ্লবী প্রজন্মের প্রতিভূ কমরেড বারীন দত্ত স্মরণে: এম.এম.আকাশ
“বিপ্লবী প্রজন্মের” এমন কয়েকজনের জন্মশতবার্ষিকী বিপ্লবীদের কথা পালন করছে যাদের সকলের জন্ম হয়েছিল এক শত বছর আগে। অর্থাৎ ১৯১১ সালের বিভিন্ন মাসে। আমার উপর তাঁদের মধ্যে যার সম্পর্কে আলোচনার দায়িত্ব বর্তিয়েছে তিনি হচ্ছেন আমাদের সকলের পরিচিত কমরেড আবদুস সালাম বা সালাম ভাই। যদিও এটি তাঁর আসল নাম নয়।
বিপ্লবী দীনেশ এবং আমাদের দীনতা: শাহীন রহমান
১৯৩১ সালের ৭ জুলাইয়ের ভোরবেলা। প্রকৃতি তখন রাতের গভীর অন্ধকার কাটিয়ে দিনের আলোয় উদ্ভাসিত হবার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। একটি নূতন দিনের প্রভাত জীবনের কলরবে মুখর হবার প্রতীক্ষায়। ঠিক সেই ক্ষণে মাত্র ১৯ বছরের এক তরতাজা তরুণ প্রাণ স্নান শেষে জীবনকে বিদায় জানাতে নিঃশঙ্ক চিত্তে ফাঁসীর মঞ্চে এগিয়ে গেলেন। হাসি

প্রীতিলতাঃ শেখ রফিক

Read more...১৯২৪ সালের কথাদিনটির কথা কারো মনে নেই। খুব সম্ভবত জুলাই-আগস্ট মাসের কোনো একদিন। বেশ গরম। আকাশে মেঘ জমেছে। যেকোনো সময় বৃষ্টি আসতে পারে। সন্ধার কিছুক্ষণ পরে ভাই-বোনরা সবাই মিলে পড়তে বসেছে। প্রীতিলতা তখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে সবাই পড়ছে। শুধু থেমে আছে মধুসূদনমধুসূদন প্রীতিলতার বড় দা। বড় দা পড়া না শুনতে পেয়ে তার দিকে তাকালো প্রীতিলতাবড় দা মধুসূদন বোনের মুখের দিক তাকিয়ে হঠাৎ বলে উঠলো_ আজ রেল শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন দেয়ার জন্য বিপুল অংকের টাকা ব্রিটিশ কর্মচারীরা ঘোড়ার গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছেছিল ওই গাড়িতে দুজন পুলিশও ছিলকিন্তু হঠাৎ দিনের বেলায় বড় রাস্তায় ধারে চারজন লোক পিস্তল হাতে সামনে দাড়িয়ে গাড়ি থামালোতারা গাড়ি থেকে সবাইকে নামিয়ে দিয়ে টাকাসহ গাড়ি নিয়ে চম্পট

Read more: প্রীতিলতাঃ শেখ রফিক

 

জন্ম-মৃত্যু

Monday, 20 June 2011
পূর্ণেন্দু দস্তিদার

 

 

 

 

 

 

 

পূর্ণেন্দু দস্তিদার। অগ্নিযুগের বিপ্লবী। সশস্ত্র বিপ্লবী। কিংবদন্তি বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেনের বিপ্লবী সহযোদ্ধা। তিনি ছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেনের বিপ্লবী স্টুডেন ক্যাডারও। তাঁর কাজ ছিল তরুণ যুবক ও ছাত্রদেরকে বিপ্লবী দলে এনে বিপ্লবীমন্ত্রে দীক্ষিত করা। এমনকি নিজ দলের বিপ্লবীদেরকেও তিনি বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন কলা-কৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতেন। চট্টগ্রাম বিপ্লবী দলে পূর্ণেন্দু দস্তিদারই প্রথম নারীদের অন্তর্ভূক্ত করেন। তখনকার দিনে সশস্ত্র বিপ্লবী দলে নারীদেরকে নানা কারণে নেয়া হতো না। তার মধ্যে একটা অন্যতম কারণ ছিল; বিপ্লবীরা নারী সংস্পর্শে এলে বিপ্লবী পথে-মতে জীবন উৎসর্গ করতে দিধা-দ্বন্দ্ব ভুগবে। তিনি এধারণা পালটে দেন। বিপ্লবী দলে তিনি কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতাসহ আরো অনেক নারীকে সংগঠিত করেন। সূর্য সেন প্রথম দিকে বিপ্লবী দলে নারীদের অন্তর্ভূক্ত করার ব্যাপারে বাধা দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনি তার সিদান্ত পরিবর্তন করে পূর্ণেন্দু দস্তিদারের কথা মেনে নেন।

“অগ্নিগর্ভ চট্টগ্রাম” গ্রন্থে অনন্ত সিংহ লিখেছেনঃ “আমাদের বিপ্লবী দলে কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতাসহ আরো অনেক মেয়ে ছিল। আমরা তাদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতামও না। যখন ১৯৩০ সালে ব্রিটিশ আমাদের বিরুদ্ধে ‘চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন’ নাম দিয়ে মামলা চালাচ্ছিল, তখন আমরা কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতার নাম শুনতে পাই”।

পূর্ণেন্দু দস্তিদারের জন্ম ১৯০৯ সালের ২০ জুন।  ১৯৭১ সালের ৯ মে পূর্ণেন্দু দস্তিদার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ভারত গমন করেন। দেমাগিরি বর্ডার দিয়ে সীমান্ত পার হবার পর তিনি অজ্ঞাত কারণে মারা যান। যদিও তাঁর মৃত্যু নিয়ে অনেকে সন্দেহ করেন যে, তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে।


View all events.

ভিজিটর পরিসংখ্যান

mod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_countermod_vvisit_counter
mod_vvisit_counterআজকের ভিজিটর সংখ্যা8
mod_vvisit_counterগতকালের ভিজিটর সংখ্যা15
mod_vvisit_counterএই সপ্তাহের ভিজিটর সংখ্যা237
mod_vvisit_counterগত সপ্তাহের ভিজিটর সংখ্যা550
mod_vvisit_counterএই মাসের ভিজিটর সংখ্যা1010
mod_vvisit_counterগত মাসের ভিজিটর সংখ্যা1035
mod_vvisit_counterসর্বমোট ভিজিটর559540

We have: 1 guests online
Your IP: 107.22.25.119
 , 
Today: Jun 20, 2013

যাঁরা সহযোগিতা করেছেন

শাহীন আজিজ

ডা. সাজেদুল হক রুবেল

বাকী বিল্লাহ

সরদার ফজলুল করিম

শহিদুল ইসলাম

কামাল লোহানী

এম এম আকাশ

প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ

ড: অনন্য রায়হান

শংকর সাওজাল

মাহাবুব জামান

যতীন সরকার

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

জসিমউদ্দিন মন্ডল

Normal 0 false false false EN-US X-NONE X-NONE MicrosoftInternetExplorer4

পৃষ্টপোষক

  • শেখ মুহাম্মাদ শহিদুল্লা

বিপ্লবী বুলি

এটা ছিল অসম লড়াইএকদিকে সামান্য অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ৩শগেরিলা, অন্যদিকে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত ১০ হাজার সৈন্যআমার বিপ্লবী গেরিলারা সিয়েরা মাস্ত্রা পর্বতমালা থেকে প্রাণপণ লড়াই করে স্বৈরশাসকের অনুগত সৈন্যদের খতম করে দেয়শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যূহ বিপ্লবীরা এমনভাবে ভেঙে ফেলে যে তাতে ট্যাংক, মর্টার, বাজুকা আর ৩০ ক্যালিবারের মেশিনগান ফেলেই শত্রুরা প্রাণ বাঁচাতে দিগ্বিদিক ছুটতে থাকে’ ----ফিদেল ক্যাস্ট্রো।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ তাকে হত্যার জন্য ৬৩৪ বার চেষ্টা করেছেকিন্তু প্রতিবারই সিআইএ ব্যর্থ হয়েছে--ফিদেল ক্যাস্ট্রো।


আরও পড়ুন

  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8